নতুন মন্ত্রিসভার শপথ ২০২৬
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ কাল: তারেক রহমানের নেতৃত্বে কারা আসছেন সরকারে? জানুন সর্বশেষ আপডেট
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে। আগামীকাল ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মঙ্গলবার নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর দীর্ঘ ২০ বছর বিরতি দিয়ে আবার সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দেশজুড়ে এখন একটাই কৌতূহল—কারা হচ্ছেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য?
শপথ অনুষ্ঠানের সময় ও স্থান
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, আগামীকাল দুই ধাপে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে:
- সকাল ১০টা: নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (MPs) জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ নেবেন। শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
- বিকেল ৪টা: জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। প্রথা ভেঙে এবার বঙ্গভবনের পরিবর্তে সংসদ ভবনের সামনে এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।
মন্ত্রিসভায় থাকছেন যারা: সম্ভাব্য তালিকা
বিএনপির একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র অনুযায়ী, এবার প্রবীণ ও নবীনের সমন্বয়ে একটি দক্ষ মন্ত্রিসভা গঠন করতে যাচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য যেসব নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে:
- মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ফিরছেন যারা: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
- আলোচিত মুখ: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বরকতুল্লাহ বুলু এবং রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
- তরুণ ও নতুন মুখ: মন্ত্রিসভায় এবার বেশ কয়েকজন তরুণ নেতা এবং জোটের শরীক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের স্থান পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অতিথিদের উপস্থিতি
এবারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি হবে অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে ভারত, পাকিস্তান, চীন, সৌদি আরবসহ মোট ১৩টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিয়ে কূটনৈতিক পাড়ায় জোর আলোচনা চলছে।
নতুন সরকারের লক্ষ্য ও চ্যালেঞ্জ
নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, তাঁর সরকারের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হবে দেশের আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে নতুন মন্ত্রিসভার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

Post a Comment